Tomar Durga,Amar pujo
ওই যে দেখ কাশফুলেতে রং চরেছে ভাই
তাই তো হঠাৎ পুজো নামের হরকাবানে ভেসে যাই ।
সেই ভাসার যে অন্যই এক মজা
ভাসতে ভাসতে গেলেও ডুবে নয় সে কোনো সাজা ।
আজ মহালয়া বলে লোকে করেছে তর্পণ
যত যাই না বলো কেন কবেই করেছি অর্পন,
নিজেরে ওই পুজো শব্দের কাছে
আসুক কি না দূর্গামা থরী যায় আসে!
তোমার দুর্গা ,আমার দুর্গা ,সে তো প্রতিমাতে নয়,
সে যে সে এখানে ,সে ওখানে, সে সেখানে রয়।
কাগজ কুড়ানি ,ক্রন্দনরত মা আর ” না ” বলা প্রেমিকায় সে বাসে …
নয় শুধু শাড়ী পরা মঞ্জুলিকার পাশে,
পাবে তারে শ্বেতকাশে,
আর পেঁজাতুলোর নীলাকাশে ।
আছে পুজো আছে মজা আরো আছে কত কী,
আছে বন্ধুর সাথে ঘোরা ,
সর্বত্র ভাঙাগড়ায় ছিল একসাথে যারা ,
বিপদের দিনে কালো রাত আর আকাশভাঙা গান
খুদাও জানে কিভাবে পাশে থেকে হতে দেয়নি তারা ম্লান ;
তখন তো পাইনি খুঁজে তোমাদের দূর্গামাকে আমি
না জানি না,কোন অঘোর মন্ত্রে,বা আদৌ কি না,সাড়া দেন উনি ।
তাহলে কেন পুজিবো তারে বারে বারে
কেনই বা ঝরাই ঘাম প্যান্ডেলে ঘুরে ঘুরে !
পাঁচ – পাঁচটা দিন ধরে পেলেন তিনি পুজো ,
বিসর্জনটা দাও হতে,তারপর তো খুঁজো ,
না,পাবে না,তুমি তারে বিপদ বা খুশির দিন
খুশি থাকো ,ওই পাঁচটা দিনের মরুদ্যানেই আমরা দীন ।
করো মজা ,করে ফেলো সপ্তমীর পেটপুজো,
Astamir লুচির তেলে ভেজা দশমীর ম্লান মুখটা খুঁজো,
গুরুজনের চরণ , বন্ধু ছোটবেলার আর হঠাৎ লাল দমকা হাওয়া,
এই আগমনী শিখিয়ে দিল অল্পেতে খুশি হতে শেখা!

Comments
Post a Comment